সর্বশেষ সংবাদ

সাগরতলে থাকা খাওয়া বিনোদন, আনন্দ ফুর্তি হানিমুন

ফকীর শাহ <এশিয়ানবার্তা ডেস্ক >বিশালাকার নীল তিমির শরীর ঘেঁষে শুয়ে থাকার মজাই আলাদা।  দৈতাকার হাঙ্গরের পিঠে হেলান দিয়ে বসে থাকার রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা কে না নিতে চায় ? স্টার বা জেলি ফিসের ঝাঁকের মধ্যে লুকোচুরি খেলা কিংবা মৎস্যকণ্যার সঙ্গে ঘুরে বেড়ানোর রোমান্টিক মুহুর্ত কে না উপভোগ করতে চায় ?

এসব এখন চাইলেই পাওয়া যায় ।

“ সাবমেরিন লিভিং” বা সাগর তলে বসবাস এখন আর স্বপ্নের কিছু নয়। সাগরের নিচে বসবাস করা এখন স্বপ্ন থেকে বাস্তবতায় রুপ নিয়েছে। তাই মহাসাগরের নিচে থাকা খাওয়া,ধুম ধাম, ঘুম আনন্দ বিনোদন ঘুরে বেড়ানো হানিমুন,সবই এখন সম্ভব।

আকাশে উড়ে বেড়ানো কিংবা পানিতে ভেসে বেড়ানো তো অনেক দিন ধরেই হলো। এবার একটু মহাসাগরের নিচে ঘুরে বেড়াতে কার না সাধ জাগে ?

সেই সাধ আর স্বপ্ন পুরনের জন্যই মহাসাগরের নিচে থাকা খাওয়া বিনোদনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। চাইলে হানিমুনটা এবার মহাসাগরের নিচেই করতে পারেন।

সমুদ্র সৈকতে ঘুরে বেড়ানোর বিনোদন এখন পানসে হতে চলেছে। এখন অতলান্ত মহাসাগরের বিশাল জলরাশির ভেতরে ঢুকে অতলস্পর্ষী গভীরে গিয়ে ঘুরে বেড়ানোর দিন। সাগরের তলায় থাকা সাত রাজার ধন মনীমুক্তা আর হিরা মানিক জহরতের সংস্পর্ষে থাকার সেই মজা নেওয়ার সময়। মহাসাগরের নীল জলরাসিতে ভেসে বেড়ানো হাজার রকমের মাছের সঙ্গে খেলা করার এই লোভ কে সামলাতে পারে ?

তাই শুরু হলো মহা সাগরের নীচে হোটেল নির্মান। এবার আর সাগরের ওপরের সৌন্দর্য দেখেই অপনার মন ভরবে না। এবার সাগরের নিচে কয়েক সপ্তাহথেকে আসতেও মন চাইবে।

কোথাও বরফের মাঝে কাঁচে ঢাকা হোটেল আবার কোথাও গাছের ডালে ঝুলন্ত রিসর্ট। আধুনিক প্রযুক্তির দৌড়ে প্রায় সব অসম্ভবই সম্ভব। সেরকমই আরও একটা উদাহরণ তৈরি হল ভারত মহাসাগরে। সমুদ্রের তলায় খুলে যাচ্ছে বিশ্বের প্রথম, আন্ডারওয়াটার হোটেল।

ভাবতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। যে সমুদ্রে তলায় এতদিন কেবল স্কুবা ডাইভিং করার স্বপ্ন দেখতেন, সেখানে এবার রাতও কাটাতে পারবেন। মাথার উপর সমুদ্র আর রঙিন মাছের রাজত্ব। মাঝে একান্ত প্রিয়জনের সঙ্গে আপনি। স্বপ্নই বটে!

১৫ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার থেকে খুলে যাচ্ছে সেই হোটেল। মালদ্বীপের রাঙ্গালি আইল্যান্ডে মারুকা হোটেলের অংশ হিসেবে তৈরি হচ্ছে এই আন্ডারওয়াটার হোটেল। বেডরুমের কাঁচের ছাদ থেকে বিছানায় শুয়েই দেখতে পাবেন জীবন্ত প্রবাল।

১০৮ কোটি টাকা খরচ করে হোটেলটি তৈরি করা হয়েছে। তাই স্বপ্নের দামটাও নেহাত কম হবে না।

তবে এক রাতের জন্য হোটেলটি বুক করার কোনও অপশন নেই। অন্ত চার রাতের জন্য বুক করতে হবে সেই হোটেল। এক রাতের ভাড়া ৩৬.০৭ লক্ষ টাকা। অর্থাৎ চারদিনে প্রায় দেড় কোটি টাকা। হোটেলে থাকা ছাড়াও আপনি পেতে পারেন ৯০মিনিটের মসাজ, প্রাইভেট স্পিড বোটের ভ্রমণের মত পরিষেবা।

আহমেদ সেলিম এই হোটেলটি ডিজাইন করেছেন।

হোটেলটির দুটি লেভেল রয়েছেল একটি অংশ জলের তলায় ও একটি জলের উপরে। জলের উপরে থাকছে খাবার ও বিনোদনের ব্যবস্থা। আর জলের তলায় রয়েছে বেডরুম, লিভিং স্পেস ও বাথরুম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Powered by Dragonballsuper Youtube Download animeshow