সর্বশেষ সংবাদ

কালীগঞ্জে বয়স্ক বিধবা ভাতা’র তালিকায় কোটিপতিদের নাম

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহঃ
ঝিনাইদহ কালীগঞ্জ উপজেলার ১ নং সুন্দরপুর-দূর্গাপুর ইউনিয়নে ভাতা ভোগীদের তালিকা প্রণয়নে চরম অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। তালিকা প্রণয়নে পরিপত্র বিধি মোতাবেক না হওয়ায় ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক প্রণীত তালিকা অনুমোদন না দেওয়ার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর আবেদন করেছেন ঐ ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সভাপতি শ্রী নিখিল দত্ত ও সাধারন সম্পাদক আনিসুর রহমান। তারা আবেদনপত্রে উল্লেখ করেছেন উপজেলার অত্র ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক গত-২৭ জানুয়ারী-১৯ ইং তারিখে ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে উপকার ভোগীদের যে চুড়ান্ত তালিকা অনুমোদনের জন্য কালীগঞ্জ সমাজ সেবা অফিসে প্রেরন করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ সরকারী পরিপত্র ও নিতিমালা বর্হিঃভূত। সরকারের মহতী উদ্দেশ্যকে বিঘœ ঘটানো সহ নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য এই তালিকা তৈরী করে সমাজ সেবা অফিসে প্রেরন করেছেন দায়িত্বপ্রাপ্তরা। এই ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যানের সভাপতিত্বে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সভায় যে তালিকা তৈরী করা হয়েছে তাতে ৬১ জনকে বয়স্ক ভাতা, ২৭ জনকে বিধবা ও স্বামী নিগৃতা দূস্থ মহিলা ভাতা এবং ২৩ জনকে অচল প্রতিবন্ধী ভাতাসহ মোট ১১১ জনকে উপকার ভোগীর নাম উল্লেখ করে তালিকাভূক্ত করে জমা দেওয়া হয়েছে। যাতে ব্যাপক স্বজনপ্রীতি, অনিয়ম ও দূর্নীতির করা হয়েছে। তারা এই তালিকা তদন্ত পূর্বক পূনরায় সরকার ঘোষিত নিতিমালা মোতাবেক প্রকৃত উপকার ভোগীরা যাতে তালিকা ভূক্ত হয় সে ব্যাপারে স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার এবং সমাজ সেবা কর্মকর্তার সু-দৃষ্টি কামনা করা হয়েছে। ১ নং সুন্দরপুর-দূর্গাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগে সভাপতি নিখিল দত্ত ও সাধারন সম্পাদক আনিসুর রহমান এক লিখিত অভিযোগে জানায়, আমরা দুইজন ইউনিয়নবাসীর পক্ষ থেকে ঐ তালিকা তদন্ত পূর্বক বিধি মোতাবেক করার জন্য ইতোমধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর আবেদন করেছি। তারা ঐ আবেদনে উল্লেখ করেছেন সুন্দরপুর-দূর্গাপুর ইউনিয়নের বর্তমান নির্বাচিত চেয়ারম্যান ইলিয়াস রহমান মিঠু গত সংসদ নির্বাচনের কয়েকদিন আগে কালীগঞ্জ থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে অবস্থান করে। এরপর গত-২৭ জানুয়ারী-২০১৯ তারিখে চেয়াম্যানের অনুপস্থিতিতে ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান কওছার আলীর সভাপতিত্বে ১১১ জন উপকার ভোগীদের তালিকা চুড়ান্ত করা হয় এবং গত-৩ ফেব্রয়ারী-১৯ তারিখে কালীগঞ্জ সমাজ সেবা অফিসে ৪১.০১.৪৪৩৩.০০০.০৫.০০১.১৭.৮(৪৫) নং স্মারক মোতাবেক প্রেরন করা হয়। উক্ত তালিকায় আর্থিক ভাবে স্বচ্ছল, লাখোপতি, কোটি পতিদের নামও অর্ন্তভূক্ত করা হয়েছে। অথচ যে জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারের এ কর্মসূচিটি চালমান রয়েছে প্রকৃত পক্ষে সেই হতদরিদ্র ব্যক্তিরা বাদ পড়েছে ফলে তারা সরকারের এ আর্থিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। ফলে বয়স্কভাতা পাওয়ার উপযুক্ত দরিদ্র ব্যক্তিদের বাদ দেওয়ার অনিয়ম সুস্পষ্ট ভাবে ধরা পড়েছে। এই ইউনিয়নের স্বচ্ছল পরিবারের তালিকায় যাদের নাম দেওয়া হয়েছে তারা হলেন-ভাটপাড়া গ্রামের মধুসুদন দাস (৬৯), কমলেশ দাস (৬৭), দূর্গাপুর গ্রামের নরেন্দ্রনাথ বিশ^াস (৭২)। এদের মধ্যে নরেন্দ্রনাথ বিশ^াসের গোয়ালে বিদেশী ৪ টা গরু রয়েছে যার প্রতিটির আনুমানিক মূল্য প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এ ছাড়া তার ১ ছেলে থাকে কানাডায় উচ্চ বেতনে একটি গবেষনা প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করে। একই গ্রামের মৃত জিতেন্দ্রনাথের ছেলে সোনাতন বিশ^াসের মাঠে রয়েছে ২৫ বিঘা আবাদি জমি, দৃষ্টি নন্দিত পাকাবাড়ি ও আছে ২০ টি গরু রয়েছে। অন্যদিকে এই তালিকায় সম্পদশালী আরো যাদের নাম ভাতার তালিকাভূক্ত করা হয়েছে তারা হলো যথাক্রমে সিংদহ গ্রামের আনোয়ার মন্ডল (৬৬), ছেলে ইমারত আলী মন্ডল, ইসরাইল বিশ^াস (৮১), আশালতা পাল (৭৩), সুনিল সরকার (৬৮), নবিরন নেছা (৬৬), অদ্যনাথ বিশ^াস (৭১), কৃঞ্চপদ দাস (৬৬), জহুরা বেগম (৬৬), সালেহা খাতুন (৬৬), জামাত আলী (৬০), অনিতা বিশ^াস (৫০)। এ ব্যাপারে আদালত কর্তৃক জামিনে মুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান ইলিয়াস রহমান মিঠু বলেন, আমি তালিকা করার কথা শুনেছি, কিন্তু তারা যখন ঐ তালিকা চুড়ান্ত করে তখন আমি কারাগারে ছিলাম।

শৈলকুপায় দুই ডজন অবৈধ ইটভাটায় পুড়ছে হাজার হাজার মন কাঠ
স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহঃ
ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে ঝিনাইদহের শৈলকুপায় অবৈধ ইটভাটা। পুড়ানো হচ্ছে হাজার হাজার মণ কাঠ। চারপাশের পরিবেশ দূষণের মধ্যে ফেলে কোনো ধরনের ভ্যাট, ট্যাক্সের ধার না ধেরে উপজেলায় চলছে প্রায় ২ ডজন অবৈধ ইটভাটা। নীতিমালা লঙ্ঘন করে লোকালয় ও কৃষিজমিতে গড়ে উঠেছে এসব অবৈধ ইটভাটা। লোক দেখাতে কয়লার স্তুপ সামনে রেখে পেছন থেকে এসব ভাটায় পোড়ানো হয় প্রতিদিন হাজার হাজার মন কাঠ। ড্রাম চিমনি দিয়ে কাঠ পোড়ানোর ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ছে লোকালয়ে। অথচ ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০১৩ অনুযায়ী, আবাসিক এলাকা ও কৃষি জমির এক কিলোমিটারের মধ্যে ইটভাটা স্থাপন নিষিদ্ধ। নিয়মানুযায়ী ইট ভাটায় যেখানে ১২০ ফিট গাথুনি চিমনী থাকার কথা সেখানে নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে মাত্র ৫০ থেকে ৬০ ফিট ড্রাম চিমনীর মাধ্যমে ধোয়া উড়িয়ে পরিবেশের বিপর্যয় ঘটানো হচ্ছে। এছাড়াও ইটের সঠিক মাপ থাকার কথা ১০-৫-৩ ইঞ্চি। সেখানে পুড়ানোর পর ইটের মাপ ৮ থেকে ৯ ইঞ্চির বেশী পাওয়া যায় না। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার হাকিমপুর ইউনিয়নের বড়িয়া গ্রামে ইমরান ব্রিকস, মির্জাপুর ইউনিয়নের মহম্মদপুর গ্রামে স্টার ব্রিকস, হাকিমপুর ইউনিয়নের হরিহরা গ্রামে টিটু ব্রিকস, ইউনিয়নে মিলন ব্রিকস, শাহ ব্রিকস ও এমবিবি ব্রিকস, উমেদপুর ইউনিয়নের ষষ্টিবর গ্রামে বর্ষা ব্রিকস, পৌর এলাকার চতুড়া গ্রামে রাহুল এন্ড খুশি ব্রিকস, মাঠপাড়া এলাকায় বিএন্ডসি ও চুন্টি ব্রিকস, আউশিয়া গ্রামে শাকিব ও শান ব্রিকস, দিগনগর ইউনিয়নের সিদ্দি গ্রামে রবিন ব্রিকস, নিত্যানন্দপুর ইউনিয়নের বকসিপুর গ্রামে বিএমবিআর ব্রিকসসহ অন্যান্য ইটভাটাগুলো জনবসতি এলাকা এবং কৃষিজমির পাশে গড়ে উঠেছে। এদের মধ্যে অনেকেই ড্রাম চিমনি ব্যবহার করে। ভাটার মালিকের বিরুদ্ধে সরকারকে ভ্যাট ও ট্যাক্স না দেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে। শ্রমিকরা জানান, এক একটি ভাটায় প্রতিদিন কাঠ পুড়ানো হয় প্রায় ৩শ থেকে ৪শ মণ। ২৫টি ভাটায় প্রতিদিন কাঠ পোড়ানো হয় প্রায় সাড়ে ৭হাজার মণ। ভাটাগুলোর পাশে রয়েছে কলা বাগান, কপিখেত, মটর, বেগুন, ও ধানসহ ইত্যাদি সবজি খেত। আর ১০০ থেকে ১৫০ গজের মধ্যে রয়েছে জনবসতি। ইটভাটার মালিকরা বলেন, ১৬ই ডিসেম্বর, ২৬শে মার্চ ২১শে ফেব্রুয়ারীসহ বিভিন্ন সরকারী প্রোগ্রামে চাঁদাসহ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেই তাঁরা এসব ইটভাটা চালাচ্ছেন। তবে প্রশাসন বলতে তারা কি বোঝাচ্ছেন তা স্পষ্ট করেননি। স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি সরকারি অনুমোদন ছাড়াই লোকালয় ও আবাদি জমির পাশে ইটভাটা স্থাপন করে ব্যবসা চালিয়ে আসছেন। ভাটার শত শত বালু, মাটি ও ইট বহনকারী গাড়ী চলাচলের কারনে নষ্ট হচ্ছে গ্রাম গঞ্জের রাস্তা-ঘাট। নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক অনেক কৃষক জানান, কৃষিজমিতে বা জমির পাশে এসব ইটভাটা স্থাপন করায় তাঁদের ফসলের ক্ষতি হচ্ছে। প্রচন্ড ধুলাবালুর কারনে ভালো ফলন পাওয়া যায় না। এসব ইটভাটার মালিকেরা স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় তাঁরা প্রতিবাদ করতেও সাহস পান না। কৃষকদের এসব অভিযোগ সঠিক হিসেবে উল্লেখ করে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সঞ্জয় কুমার কুন্ডু বলেন, কৃষি জমিতে ইটভাটা স্থাপন করা ঠিক না। ফসলি জমির পাশে ইটভাটা স্থাপন করায় ফসলের উৎপাদন কম হয়। ইটভাটা স্থাপনের ক্ষেত্রে এসব লক্ষ রাখা উচিত বলে তিনি মত প্রকাশ করেন। এ ব্যাপারে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা উসমান গনি জানান, ইট ভাটায় কাঠ পোড়ানো সম্পূর্ণ অবৈধ। সেই সাথে ড্রাম চিমনি ব্যবহারের সুযোগ নেই। অবৈধ ইটভাটার কারনে পরিবেশ দূষন হয় বলে তিনি মন্তব্য করে বলেন, সকল অবৈধ ইটভাটায় অভিযান চালিয়ে অচিরেই তা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ জানান, ইতিমধ্যেই অবৈধ ইট ভাটায় অভিযান শুরু হয়েছে। অনেক ভাটার ড্রাম চিমনি উচ্ছেদ ও জরিমানা করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে জেলা ও উপজেলার সকল অবৈধ ইটভাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

কালীগঞ্জে বাক প্রতিবন্ধি কিশোরীকে গণধর্ষণের অভিযোগে চার ধর্ষক গ্রেফতার, পুলিশ সুপারের ঘটনাস্থল পরিদর্শন
স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহঃ
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে এক বাক প্রতিবন্ধি কিশোরীকে গণধর্ষণে অভিযোগ শনিবার চার ধর্ষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলো বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে সেলিম পাটোয়ারী, বানুড়িয়া গ্রামের হায়দার আলীর ছেলে সাঈদ হোসন, নুর আলীর ছেলে রাকিব হোসেন এবং লাল চাঁদের ছেলে আশিক। খবর পেয়ে শনিবার বিকালে ঝিনাইদহ পুলিশ সুপার হাসানুজ্জামান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। আর ঘটনাটি ঘটে গত ৬ ফেব্রুয়ারী রাতে ত্রিলোচনপুর ইউনিয়নের বানুড়িয়া গ্রামে। কিন্তু সংখ্যালঘু পরিবার হওয়ায় ৩ দিন পর বিষয়টি ফাঁস হয়ে পড়ে। প্রতিবেশি শফি উদ্দীনের স্ত্রী সবুরা বেগম ও ভোলানাথের স্ত্রী কল্পনা রাণী জানান, ঘটনার রাতে আমরা ধর্ষিতাদের বাড়িতেই টেলিভিশন দেখছিলাম। এসময় সে ঘরের বারান্দায় বসে খাবার খাচ্ছিল। কিছুক্ষণ পরে তাকে বাড়িতে না পেয়ে খোজাখুজি শুরু করা হয়। ঘন্টাখানেক পর পাশের একটি বাগানে পোষাকবিহীন অবস্থায় উদ্ধার করে বাড়িতে আনা হয়। ধর্ষিতার বাবা সদানন্দ ওরফে স্বপন জানান, ঘটনার পর থেকে ধর্ষনকারীরা আমাকে এবং আমার পরিবারকে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছিল ঘটনাটি কাউকে না বলার জন্য। শুক্রবার রাতে ধর্ষক সাঈদ আমাকে ফোনে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। এরপর আমি স্থানীয় জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে কালীগঞ্জ পুলিশকে বিষয়টি জানায়। কালীগঞ্জ থানার ওসি ইউনুচ আলী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, ঘটনার সাথে জড়িত ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, এসময় ধর্ষনের সিকার কিশোরীকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম ছানা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।

ঝিনাইদহে ৭ দিন ব্যাপী শাস্ত্রীয় নৃত্য প্রশিক্ষণের সমাপনী
জাহিদুর রহমান তারিক,ঝিনাইদহঃ
ঝিনাইদহে ৭ দিন ব্যাপী শাস্ত্রীয় নৃত্য প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলানয়তনে প্রশিক্ষিত শিক্ষার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়। জেলা কালচারাল অফিসার জসিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা শিল্পকলা একাডেমীর এডহক কমিটির সদস্য অশোক ধর, একরামুল হক লিকু, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর নৃত্য প্রশিক্ষক সামিনা হোসেন প্রেমা, ঝিনাইদহ শিল্পকলা একাডেমীর উচ্চাঙ্গ নৃত্য প্রশিক্ষক শোভন সাহা সবুজ ও সাধারণ নৃত্য প্রশিক্ষক দোল আফরোজ অরনী। এসময় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর উদ্যোগে গত ৩ ফেব্রুয়ারি শুরু হয় এ প্রশিক্ষণ। এতে জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৫০ জন শিক্ষার্থী মনিপুরি নৃত্যের এ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণ প্রদান করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর নৃত্য প্রশিক্ষক সামিনা হোসেন প্রেমা।

ঝিনাইদহে আড়ম্বরে সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত
জাহিদুর রহমান তারিক,ঝিনাইদহঃ
ঝিনাইদহে আড়ম্বরে সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পূজাকে কেন্দ্র করে রোববার সকাল থেকেই জেলা শহরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও মন্দিরগুলোতে ভীড় জমাতে থাকে সনাতন ধর্মাবলম্বলীরা। জ্ঞান লাভের আশায় মায়ের রাতুল চরণে পুষ্পাঞ্জলি প্রদান করেন শিক্ষার্থীরা। চলে হাতে খড়ি। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বাসা-বাড়িতেও চলে পূজা। পূজা চলাকালীন সময় উলু ও শঙ্খ ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠে প্রতিটি পূজামন্ডপ। শেষে ভক্তদের মধ্য বিতরণ করা হয় প্রসাদ। এ বছর জেলা শহরসহ ৬টি উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, পাড়া-মহল্লায় ছোট-বড় অন্তত ১

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Powered by Dragonballsuper Youtube Download animeshow