সর্বশেষ সংবাদ

বীরগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ জাতীয়করণে অধ্যক্ষ খয়রুল ইসলাম’র অবদান(ঝিনাইদহের আরও 2টি সংবাদ)

বীরগঞ্জ(দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ স্বাধীনতার ফসল হিসেবে খ্যাত বীরগঞ্জ কলেজটি বীরগঞ্জ,কাহারোল ও খানাসামার আপামর জনসাধারনের প্রত্যাশাপূরনে ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিতহয়। প্রতিষ্ঠালগ্ন হতে এই কলেজটি দীর্ঘদিন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দ্বারা পরিচালিত হয়ে আসছিল। মোঃ খয়রুল ইসলাম চৌধুরী ২০০৪ সালে যখন অত্র কলেজের শিক্ষক হতে অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেন তখন কলেজটিতে ছাত্র/ছাত্রীরর সংখ্যা ছিলমাত্র ৩৭৫ জন। দায়িত্ব গ্রহণের পর হতে কলেজটির কিভাবে আরো উন্নয়ন করা যায়, পড়া-লেখার মান ভালো করা যায়,কলেজটিতে কি ভাবে একটি ভালো পরিবেশে নিয়ে আসা যায় এই চিন্তা চেতনায় মনোনিবেশ করেন।
পরবত্তীতে অভিভাবক,শিক্ষকমন্ডলীএবংছাত্র/ছাত্রীদের বিভিন্ন পরামর্শ নিয়ে বর্তমানে ছাত্র/ছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ৭০০০ হাজারে উন্নিত করেন। স্থানীয় জাতীয় সংসদ জনাব মনোরঞ্জনশীল গোপাল মহোদয় কে অত্র কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি পেয়ে অধ্যক্ষ মহোদয়ের কাজের গতি আরো বেগবান হয়। গভর্নিং বডির সভাপতি এম,পি মহোদয় অধ্যক্ষ মহোদয়ের একনিষ্টতা,দক্ষতাও সৃজনশীলতা দেখে কলেজ উন্নয়নের যে কোন কাজে সহযোগীতা করার আশ্বাস প্রদান করেন। এরই ধারাবাহীকতায় ২০১০ সালে অত্র কলেজে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়েরঅধীনে বাংলা, সমাজবিজ্ঞান,রাষ্ট্্রবিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা, ইসলামেরইতিহাস ও সংস্কৃতি (মোট ৫টি) বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু করেন। যে টি কলেজের মানকে আরো একধাপ এগিয়ে নিয়ে যায়।
অধ্যক্ষ মহোদয় প্রতিবছর উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর শিক্ষকদের নিয়ে বিষয় ভিত্তিক ফল পর্যালোচনা করে থাকেন,যাকি না পরবর্ত্তীতে ভালফলাফল অর্জনে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। এছাড়াও অধ্যক্ষ মোঃ খয়রুল ইসলাম চৌধুরী কলেজের অবকাঠামো,পড়া-লোখার মান এবং শিক্ষার পরিবেশ এমনভাবে গড়ে তুলেছেন যার কারনে জাতীয়করণের তালিকাভূক্তির সময়ে বীরগঞ্জ কলেজ ছাড়া অন্য কোন কলেজ তালিকাভূক্ত হওয়ারই চ্ছাপ্রকাশ করেনি। অথচ পার্শ্ববর্ত্তী উপজেলায় যা বিশেষ ভাবে লক্ষণিয়,একই উপজেলায় দুটি করে কলেজ নিজেদের কে যোগ্য দাবী করেমামলা মোকদ্দমায় জড়িয়ে পড়ে জাতীয়করণের সুবিধা হতে বঞ্চিত হয়েআছে। এছাড়া ও অধ্যক্ষ মহোদয়ের সঠিক কাউন্সিলিং এর মাধ্যমে অত্র কলেজ হতে রেকর্ড সংখ্যক শিক্ষার্থী প্রতি বছর বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়েভর্তি হয়। বীরগঞ্জ কলেজের সাবেক ছাত্র,যারা বর্তমানে অভিভাবক হয়ে নিজেদের ছেলে-মেয়েদের ভর্তি করাতে এসে কলেজের অভাবনীয় উন্নয়ন দেখে তৃপ্তির ঢেকুর তোলে এবং বলে কি দেখলাম আর এখন কি দেখছি,চারিদিকে শুধুবিল্ডিং আরবিল্ডিং এবংশিক্ষার সুন্দর একটি পরিবেশ বিরাজ করছে।
তারা আরো প্রত্যাশা করে অধ্যক্ষ মহোদয় যদি চাকুরী হতে অবসর গ্রহণের পর বীরগঞ্জ কাহারোলের জনসাধারনের পাশে এসে মানব সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেন তাহলে এলাকার সর্ব সাধারণ একজন সৎ,শিক্ষিতএবং দক্ষ মানুষের সংস্পর্শে আসতে পারত। এবং অত্র এলাকার উন্ননণ সাধিত হত। অধ্যক্ষ মোঃ খয়রুল ইসলাম চৌধুরী দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কলেজ পরিচালনার পাশাপাশি নিজ যোগ্যতাবলে বেসরকারিকলেজ সমূহের প্রতিনিধিি হসেবে দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডের অ্যাপিল এন্ড আ্যপিল ডিভিশনের সদস্য নির্বাচিত হন। এছাড়া বাংলাদেশ স্কাউটস দিনাজপুর জেলা রোভারের নির্বাহি কমিটির সহ-সভাপতি,বীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি,মরিচাহাইস্কুল ও দারুসসুন্নাহ দাখিলমাদ্রাসার উদ্যোক্তা এবংআজীবন দাতা সদস্য।শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখায় ঢাকাস্থ বিভিন্নপ্রতিষ্ঠানের পক্ষ হতে জাতীয়ভাবে শেরেবাংলা এ,কে,ফজলুলহক , হোসেনশহীদ সোহরাওয়ার্দ্দী স্মৃতিপদক ও স্বাধীনতা পদক-২০১৭ অজর্ন করেন।বীরগঞ্জ উপজেলার ৯নং মরিচা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম কাবিরুলইসলাম চৌধুরীর সুযোগ্য সন্তান অধ্যক্ষ মোঃ খয়রুল ইসলাম চৌধুীরর নিকট কলেজটির ভবিষ্যত পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, কলেজটির যা কিছুউন্নয়ন এলাকার সন্তান হিসেবে আমি আমার দায়িত্ববোধ থেকে ভালকরার চেষ্টাকরেছি।
আগামীতে ও এই ধারাঅব্যাহত থাকবে,তবে সে ক্ষেত্রে এলাকাবাসীর সহযোগীতা কামনা করেন। বীরগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ কে সরকারিকরণকরায় এবং বীরগঞ্জ উপজেলায়আর কোন কলেজকে অত্র কলেজের সমকক্ষ হিসেবে দাড়হতেনা দেওয়ায়,এবংআর্থিক কোনক্ষতি,/মামল মোকদ্দমাছাড়াই, বিনা বাধায় অত্যন্ত সুষ্ঠুভাবে সরকারিকরণের কাজটি সম্পন্ন করায় বীরগঞ্জ ডিগ্রী কলেজ শিক্ষক পরিষদ,জাতীয়করন কলেজ শিক্ষক পরিষদ(জাকশিপ) ,কলেজের কর্মচারী এবং বীরগঞ্জ বাসীর পক্ষ হতে আন্তারিকঅ ভিনন্দন ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

বীরগঞ্জে আহত নাইট গার্ড শহীদ মিয়ার মৃত্যু

খায়রুন নাহার বহ্নি, বীরগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি ॥ বীরগঞ্জে ১৬ আগষ্ট ৮ম দিনে আহত নাইট গার্ড শহীদ মিয়ার মৃত্যু হয়েছে।

বীরগঞ্জ পৌরসভার ৯নং-ওয়ার্ডের তারা মিয়ার ছেলে রবিউল ইসলাম (২৫) ৯ আগষ্ট সকালে ধারাল অস্ত্র নিয়ে পৌরসভার রাস্তা নির্মানের তাবুতে গিয়ে জগদল ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের মৃত কাসেম আলীল ছেলে নাইট গার্ড সুরুজ আলী (৪৫) কে এলাপাথারী কুপিয়ে খুন করে। খুনি রবিউল পৌরসভা হাটের নাইট গার্ড শহীদ মিয়া (৫০) ও তার ছেলে একরামুল হক (৩) কে এলাপাথারী কুপিয়ে আহত করে পালিয়ে যায়।

আহত শহীদ মিয়া ও তার শিশুপুত্র আহত একরামুলকে গুরুতর অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাদের দিনাজপুর এ রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হয়। ১৬ আগষ্ট সকালে শহীদ মিয়া মৃত্যু হয়। ময়না তদন্ত শেষে লাশ বাড়ীতে এনে সুজালপুর কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, খুনি রবিউল বাড়ীতে গিয়ে রক্তমাখা কাপর বদল করে পালিয়ে যায়। উত্তেজিত জনতা খুনের বিচারের দাবিতে ২০/২৫টি রাস্তার গাছ কেটে ঢাকা-পঞ্চগড় মহাসড়ক আবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। উত্তেজিত জনতা খুনি রবিউলের বসতবাড়ী ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে তাকে ধাওয়া করে ১৩ মাইল গড়েয়া বাজার থেকে ধরে এনে সাব জেলের সামনে মহাসড়কের পাশে মারপিট করে রাস্তার কাজের গরম পিজ ঢেলে আগুন ধড়িয়ে পুড়িয়ে দেয়। সংবাদ পেয়ে দিনাজপুর থেকে দমকল বাহিনীর একটি ইউনিট ও অতিরিক্ত পুলিশ এসে আগুন নিয়ন্ত্রন করে। পুলিশ ২টি লাশের সুরতহাল লিপিবদ্ধ করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরন করে। পুলিশ খূনি রবিউলের মা-রওশনারা বেগম ও বোন সুলতানাকে গ্রেফতার করেছে।

বীরগঞ্জে এতিম শিশুর মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

খায়রুন নাহার বহ্নি, বীরগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি ॥ বীরগঞ্জে ১৫ আগষ্ট উপলক্ষে বিকেলে এক্সচেঞ্জ ব্লাড ব্যাংক কতৃপক্ষের আয়োজনে হাবুলহাট দারুল আইতাম দুঃস্থ্য শিশু প্রতিপালন ও পুনবার্সন কেন্দ্রের শতাধিক এতিম শিশুর মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

বীরগঞ্জ এক্সচেঞ্জ ব্লাড ব্যাংক সেচ্ছায় রক্ত দান সমিতি কতৃপক্ষ উপজেলার নিজপাড়া ইউনিয়নের দামাইক্ষেত্র গ্রামে প্রতিষ্ঠিত হাবুলহাট দারুল আইতাম দুঃস্থ্য শিশু প্রতিপালন ও পুনবার্সন কেন্দ্র প্রাঙ্গনে ঈদ সামগ্রী বিতরণের আয়োজন করেন।

বীরগঞ্জ এক্সচেঞ্জ ব্লাড ব্যাংক সেচ্ছায় রক্ত দান সমিতির সভাপতি মোঃ সোহাগ ইসলাম, সাধারন স¤পাদক মোঃ গোলাম মুর্শিদ ঈদ সামগ্রী বিতরন করেন এসময় সমিতির অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। সেচ্ছায় রক্ত দান সমিতির সভাপতি সোহাগ ইসলাম ও সাধারন স¤পাদক গোলাম মুর্শিদ জানান,

সংগঠনের উপদেষ্টা বাংলাদেশ ছাত্রলীগ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সাধারন সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি বর্তমান কেন্দ্রীয় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ উপ-কমিটির সদস্য আওয়ামী লীগের উদয়মান তরুন নেতা আবু হুসাইন বিপুর দিক নির্দেশনায় আগামী দিনগুলিতে এ উপজেলায় কোন রোগী রক্তের অভাবে যেন মারা না যায় সেই জন্য তারা কাজ করে যাবেন।

কারণ বর্তমানে সময়ে বিশুদ্ধ পানির অভাবে নয় বরং রক্তের অভাবে অনেক সাধারন মানুষ মারা যায়। সেই সাথে বলেন পথ শিশু ও এতিম বাচ্চাদের নিয়ে তাদের বহুদুর পরিকল্পনা আছে, যাতে করে তারা তাদের জীবনে কর্মসংস্থান ও দেশের উন্নয়নের জন্য কাজ করতে পারে।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সদস্য উদয়মান তরুন নেতা আবু হুসাইন বিপু উপজেলার সকল মানুষের কাছে দোয়া ও সংগঠনের জন্য সহযোগিতা কামনা করেছেন।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Powered by Dragonballsuper Youtube Download animeshow