সর্বশেষ সংবাদ

বিশ্বের প্রথম হৃদয়হীন রমনী, যিনি টেলিভিশনে এসেই মানুষের হৃদয় জয় করে নিচ্ছেন

ফকীর শাহ <এশিয়ানবার্তা ডেস্ক> হার্ট থাকলেই হার্ট এ্যাটাকের ভয়। হার্টই যদি না থাকে, তাহলে আর ভয় কিসের ? সেই হার্ট নিয়েই যখন মানুষের এতো ঝামেলা, তখন হার্টলেস মানুষের যুগে প্রবেশ করছি আমরা। এই যুগে হার্টলেস বা হৃদ্বয়হীন মানুষরাই তো হৃদ্বয়বান মানুষের হৃদ্বয় জয় করে নিয়ে সবখানে রাজত্ব করবে।

করবে নয়,অলরেডি করা শুরু করে দিয়েছে।তার রক্ত মাংস হৃদ্বয় নেই,অথচ তিনিই রক্ত-মাংসে গড়া মানুষের হৃদ্বয় জয় করা শুরু করেছেন। বিশ্বের প্রথম হৃদ্বয়হীন সংবাদ পাঠিকা শুরুতেই চমক লাগিয়েছেন বিশ্বজুড়ে।

রোবটিক জার্নালিজম অনেক আগেই শুরু হয়েছে। রক্তমাংসে গড়া মানুষের হাত থেকে সাংবাদিকতার কলম চলে যাচ্ছে ইলেকট্রনিক্সে গড়া রোবটের হাতে। ভবিষ্যতে মহাকাশ থেকে শুরু করে সমুদ্রের তলদেশ থেকেও খবর আর ছবি তুলে আনবেন রোবট সাংবাদিকরা। মহাকাশ আর অতল সমুদ্রের তলদেশে ঘটে যাওয়া সব বিষ্ময়কর ঘটনার লাইভ সম্প্রচারও করবেন সেই রোবট সাংবাদিকরা।

এবার আরো একধাপ এগুলো রোবট।  নিউজ প্রেজেন্টারের মত আকর্ষনীয় পদে অভিষিক্ত হলেন পৃথিবীর প্রথম রোবট সংবাদ পাঠিকা শিন।

নাম তার শিন শিয়াংমেং। গোলাপি টপস, কানে ছোট্ট দূল, ছোট চুলের পরিপাটি কাট ও হালকা মেকআপের মিষ্টি মুখশ্রী দেখে বোঝার উপায় নেই যে, তিনি আদতে কোন নারী নন। দিব্যি চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়ায় খবর পড়ে যাচ্ছেন। এক্সপ্রেস,এনটিভি।

রোববার বেইজিংয়ের বার্ষিক সংসদ অধিবেশনে অংশগ্রহণকারীদের প্রতিনিধিদের সম্পর্কে একটি সংবাদ উপস্থাপন করেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার তৈরি এই সংবাদ পাঠিকা। যা ছিলো এক মিনিটের ভিডিও উপস্থাপনা।

অবিকল মানুষের মতোই তাঁর মুখের অভিব্যক্তি এবং মানব সংবাদ পাঠিকার মতোই নির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুকরণ করে সংবাদ পাঠ করেন বিশ্বের প্রথম এই নারী রোবট সঞ্চালিকা।

ভার্চুয়াল ক্লোন শিন শিয়াংমেং সংবাদ সঞ্চালনায় দ্বিতীয় রোবট সঞ্চালক। তার আগে তৈরি করা হয়েছিল কিউ মেংকে। মানুষের মতোই দেখতে এই দুই রোবটই নির্মাণ করে শিনহুয়া এবং কারিগরি সংস্থা সোগোই ইনকর্পোরেটেড।

গত নভেম্বরে চীনের শহর উওজেহেনে আয়োজিত ওয়ার্ল্ড ইন্টারনেট সম্মেলনে পুরুষের পোষাক পরিহিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সংবাদ পাঠককে সকলের সামনে নিয়ে আসা হয়।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে নানা কাজে ব্যবহারের এই বৈজ্ঞানিক সাফল্য গবেষকদের উৎসাহ যোগাচ্ছে। নজরদারি, নিরাপত্তা, চালকবিহীন গাড়ি থেকে শুরু করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বৃহত্তর পরিসরের এই ব্যবহার মানুষের কর্মখাতের ওপর প্রতিকূল পরিবেশ সৃষ্টি করবে কি না তা নিয়েও ভাবাচ্ছে বিশ্লেষকদের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Powered by Dragonballsuper Youtube Download animeshow