সর্বশেষ সংবাদ

নেশার জগতে নয়া আইটেম স্যানিটারি ন্যাপকিন

এফ শাহজাহান < এশিয়ানবার্তা ডেস্ক > নেশার সবচেয়ে প্রাচীন আইটেম মদ গাঁজা আফিম ভাং চরসের দিন এখন আর নেই। মারিজুয়ানা হাসিস এর সেই রমরমা অবস্থাও এখন আর নেই। এক হিরোইন একাই গোটা পৃথিবীতে রাজত্ব করার পর, তার অবস্থাও শোচনীয় । আধুনিক নেশার জগতে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা  হরেক রকমের ড্রাগ, অ্যালকোহল ইত্যাদির বাজারও পড়তে শুরু করেছে ৷

হালের নেশা “খাত” খুব একটা মার্কেট পায়নি। ফেন্সিডিল ইয়াবার পাশাপাশি গত কয়েক দশকে জুতার গাম নেশার আইটেম হিসেবে ব্যাপক পরিচিত হয়ে ওঠে । নন্দিত নগরীর নিন্দিত অভিজাত রংমহলের ’শিশাবার’ থেকে শুরু করে আলোআাঁধারীর হোটেল রেস্তোরার ’নবাবী জলসা ঘর’ পর্যন্ত হরেক নেশার আইটেমের জনপ্রিয়তা সবসময় এক সমান থাকে না। তাই নেশার জগতে আগমন ঘটে নতুন নতুন আইটেমের।

টিকটিকির লেজ কিংবা জিহব্বায় বিষধর সাপের কামড় লাগানো এসবই নেশার জগতে পুরোনো আইটেম।নেশার জগতে নিত্য নতুন আইটেমের সাথে এবারে যোগ হয়েছে চমক লাগানো এক নতুন আইটেম।

এবার নেশার জগতে যোগ হয়েছে সবচেয়ে আকর্ষনীয় আইটেম স্যানিটারি ন্যাপকিন৷ যা বদলে দিয়েছে আসক্তির সংজ্ঞাকে৷

সম্প্রতি, ইন্দোনেশিয়ায় দেখা দিয়েছে ট্রেন্ডটি৷ ইন্দোনেশিয়ার টিনএজাররা নেশার জন্য স্যানিটারি ন্যাপকিন এবং কটনপ্যাডের সেদ্ধ করা জুস খাচ্ছে৷ যার ফলে নাকি ভাল নেশা হচ্ছে৷ আর, সেই নেশাতেই ডুবেছে ইন্দোনেশিয়া৷

একাধিক সংবাদ মাধ্যমেই খবরটি প্রকাশিত হয়েছে৷ সংবাদ মাধ্যমের তথ্য জানাচ্ছে, অনেককেই বিষয়টি অবাক করেছে৷ দেশের মধ্যে এই ধরণের আসক্তির ট্রেন্ড ধীরে ধীরে বাড়ছে৷ যেখানে সস্তা নেশার জন্য ছেলেমেয়েরা ব্যবহৃত ও অব্যবহৃত স্যানিটারি ন্যাপকিনের সেদ্ধ করা জুস খাচ্ছে৷ কিন্তু, কেন এই ধরণের ফর্মুলা ব্যবহার হচ্ছে নেশার জন্য? উত্তর খুঁজতে গিয়ে উঠে আসে একাধিক তথ্য৷

ইন্দোনেশিয়া ন্যাশানাল ড্রাগ এজেন্সির (বিএনএন) রির্পোট জানাচ্ছে, স্যানিটারি প্যাডের এই জুসের মধ্যে ক্লোরিন থাকে৷ যেটি মানবদেহে একপ্রকার হ্যালুসিয়েশন এবং তীব্র নেশার অনুভূতি জাগায়৷ যার ঘোরে আচ্ছন্ন ইন্দোনেশিয়ার টিনএজাররা৷ অন্য একটি রির্পোটের তথ্য জানাচ্ছে, ইতিমধ্যেই জাভাতে বেশ কিছু টিনএজারকে গ্রেফতার করা হয়েছে৷ যারা স্যানিটারি প্যাডের সেদ্ধ জুস খেয়ে নেশা করেছিল৷

কিন্তু, কীভাবে বানানো হয় এই নেশার জিনিসটি? উত্তরে সংবাদ মাধ্যমকে এক ১৪ বছরের ছেলে জানিয়েছে, প্রথমে স্যানিটারি প্যাডকে ৩০ মিনিট ধরে ফোটানো হয়৷ তারপর, তার থেকে বের করে নেওয়া হয় জুস৷ যেটি কনটেনারে ভরে রেখে দেওয়া হয়৷ স্বাদ তেতো৷ প্রায় সারা দিন ধরেই এই জুস খেতে থাকে টিনএজাররা৷ জানা গিয়েছে, মূলত দরিদ্র পরিবার এবং পথের বসবাসকারী ছেলেময়েরাই এই নেশাতে আসক্ত হয়ে পড়েছে৷

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Powered by Dragonballsuper Youtube Download animeshow