সর্বশেষ সংবাদ

পাক-ভারতের আকাশ কাঁপানো যুদ্ধে ঘূর্ণীঝড় তুলতে প্রস্তুত যে নারীরা

এফ শাহজাহান <এশিয়ানবার্তা ডেস্ক>পাক-ভারত সীমান্তে উত্তেজনা থামছেই না ৷ কূটনৈতিক বার্তাও দিনকে দিন গরম থেকে চরমে উঠছে৷ জলে-স্থলে-আকাশে পরস্পরকে মেপে নেওয়ার পালা চলছে পুরোদমে৷ নয়াদিল্লি-ইসলামাবাদ সম্পর্ক রীতিমতো তেতে উঠেছে৷ সবমিলে একবিংশ শতকে প্রথমবার ভারত-পাকিস্তান আবারও সংঘর্ষের জন্য প্রস্তুত৷

পাক-ভারত যুদ্ধ যদি বেঁধেই যায়, তাহলে দুই দেশের আকাশ কাঁপানো যুদ্ধে যে নারীরা মুখোমুখী হবেন তারাও প্রস্তুত। এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা।

পাক-ভারত যুদ্ধ বেঁধে গেলে দুই দেশের আকাশ কাঁপাবেন যে নারী বৈমানিক যোদ্ধারা তাদের দেখতে কেমন ? এবার তাহলে দেখে শুনেই আন্দাজ করে নিন দুই দেশের আকাশে কী পরিমান ঘূর্ণীঝড় শুরু হতে পারে।

পাকিস্তানের পক্ষে আকাশে লড়বেন যে নারীরা তাদের ছয়জন এখন প্রস্তুত। এরা আকাশ যুদ্ধের বাজপাখি খ্যাত। অপর দিকে ভারতের আছেন তিনজন নারী ।

পাকিস্তান আর্মীর বাজপাখি নারী যোদ্ধারা

এই মুহুর্তে পাকিস্তান বিমান বাহিনীর যে ছয়জন নারী ভারতের আকাশ কাঁপাতে প্রস্তুত তারা হলেন আয়েশা ফারুক, অম্বরিন গুল, সাবা খান, নাদিয়া গুল, মরিয়ম খলিল৷

সাবা খান: বালোচিস্তানের রাজধানী কোয়েটার বাসিন্দা৷ পাকিস্তান এয়ারফোর্সের প্রথম মহিলা ব্যাচের একজন সাবা৷ সরাসরি আকাশে ওড়ার স্বপ্ন দেখেননি তিনি৷ কাগজে চাকরির বিজ্ঞাপণ দেখে এয়ারফোর্সের পরীক্ষায় আবেদন করেছিলেন৷ বাকিটা ইতিহাস৷

আয়েশা ফারুক: পাকিস্তানের অন্যতম ফাইটার প্লেন চালক৷ বাড়ি ভাওয়ালপুরে৷ উড়ান প্রশিক্ষণ পর্বে বিশেষ কৃতিত্ব দেখিয়েছেন আয়েশা৷

মরিয়ম খলিল: পাকিস্তানি মহিলা যুদ্ধ বিমান চালাকদের অন্যতম নাম৷ পাকিস্তান এয়ারফোর্সের প্রথম মহিলা  ব্যাচের অন্যতম৷ যোগ্যতা পর্বে কৌশলী যুদ্ধবিমান চালক হিসেবে সুনাম কুড়িয়েছেন তিনি৷

সায়রা বাতুল:  উপজাতি হাজারা গোষ্ঠী থেকে উঠে আসা যুদ্ধ বিমান চালক৷ পাকিস্তানি মহিলাদের মধ্যে আইকন সায়রা৷

অম্বরিন গুল: ইসলামাবাদের বাসিন্দা৷ বাবা এক বেসরকারি কোম্পানির ম্যানেজার৷ ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করে এয়ারফোর্সে যোগ দেন অম্বরীন৷ প্রশিক্ষণ শেষে যুদ্ধ বিমান চালক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন৷

নাদিয়া গুল: আরও এক পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান চালক৷ স্বামী পাকিস্তান আর্মির ক্যাপ্টেন৷

ভারতীয় বিমান বাহিনীর ৩ নারী যোদ্ধা

সম্প্রতি ভারতীয়  ফাইটার স্কোয়াড্রনে তিন মহিলার অন্তর্ভুক্তি ঘটিয়েছে৷ ফাইটার পাইলট হলেন অবনী চতুর্বেদী, মোহনা সিং ও ভাবনা কান্থ৷ রয়েল ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্স থেকে ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্সের ৮৪ বছরের যাত্রাপথে এই তিন মহিলার নাম ইতিহাসে উঠে এসেছে৷ যে কোনও মুহূর্তে অবনী, মোহনা, ভাওয়ান সরাসরি শত্রুপক্ষকে নাস্তানাবুদ করতে তৈরি৷ হায়দরাবাদের হাকিমপেট এয়ারফোর্স একাডেমি থেকে পাস আউট করেছেন তিন মহিলা যুদ্ধবিমান চালক৷

অবনী চতুর্বেদী:  মধ্যপ্রদেশের রেওয়ার বাসিন্দা৷ বাবা ইঞ্জিনিয়ার৷ ভাই আর্মির ক্যাপ্টেন৷ কাকা সহ পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্য সেনাবাহিনীতে কর্মরত৷ খুব ছোটবেলা থেকেই বিমান চালানোর ইচ্ছে ছিল অবনীর৷ শেষপর্যন্ত দেশের প্রথম তিন যুদ্ধবিমান চালকের একজন হয়ে নজির গড়েছেন অবনী৷

মোহনা সিং: গুজরাটের ভদোদরার বাসিন্দা৷ এয়ারফোর্সে রয়েছেন তাঁর পরিবারের আরও কয়েকজন৷ বি টেক পাশ করা মোহনা এয়ারফোর্সে যোগ দেন৷ নজির গড়ে মহিলা ফাইটার চালক হিসেবে সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেওয়ার স্বীকৃতি পেয়েছেন৷

ভাবনা কান্থ: বিহারের দারভাঙ্গা জেলার বাসিন্দা ভাবনা৷ পরিবারের বড় মেয়ে৷  লেখাপড়ায় তুখোড় ভাবনা বি টেক শেষ করার পর বায়ু সেনাতে যোগদেন৷ ফাইটার পাইলট হিসেবে ভাবনা প্রশিক্ষণ পর্বে কৃতিত্ব দেখিয়েছেন৷

এবার শুধুই অপেক্ষার পালা। আকাশ কাঁপানো পাকিস্তানের ৬জন আর ভারতের এই তিন নারীর জন্য শুভ কামনা।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Powered by Dragonballsuper Youtube Download animeshow