সর্বশেষ সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানালেন সাবেক ক্রিকেটার চামেলি


মঈন উদ্দীন, রাজশাহী : ভারতে অস্ত্রোপচার শেষে রাজশাহী ফিরেছেন ক্রিকেটার চামেলি খাতুন। বুধবার সকালে নভো এয়ারের একটি ফ্লাইটে তিনি ঢাকা থেকে রাজশাহীর শাহ মখদুম (রহ.) বিমানবন্দরে এসে পৌছান। এর আগে ভারত থেকে বিমানে ঢাকা পৌঁছান চামেলি। বাড়িতে ফিরেই চিকিৎসা সহায়তা দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী ও বিসিবিসহ সংশ্লিষ্ট সকালের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন চামেলি।
ডান পায়ের লিগামেন্ট ছিঁড়ে যাওয়া এবং মেরুদ-ের ব্যথা নিয়ে চামেলি খাতুন গত ২ নভেম্বর ঢাকা গিয়েছিলেন। রাজশাহী জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল। গত মাসের মাঝামঝিতে পঙ্গু হাসপাতাল থেকে অস্ত্রোপচারের জন্য ভারতের ব্যাঙ্গালুরুতে নেওয়া হয়। ১৮ দিনের চিকিৎসা শেষে তিনি ঢাকায় ফেরেন। এখনও ছয়মাস বিশ্রামে থাকতে হবে চামেলিকে।
জানতে চাইলে ক্রিকেটার চামেলি খাতুন বলেন, অস্ত্রোপচারের পর চিকিৎসকরা তাকে ছয়মাস পূর্ণাঙ্গ বিশ্রাম থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। এর পরই তিনি আবার মাঠে ফিরতে চান। তার চিকিৎসায় সহায়তার জন্য এ সময় প্রধানমন্ত্রী ও বিসিবিসহ সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং তার জন্য দোয়া করার জন্য বলেন। চামেলি বাংলাদেশ জাতীয় নারী দলের হয়ে ১৯৯৯ থেকে ২০১১ পর্যন্ত মাঠ মাতিয়ে বেড়িয়েছেন। শুধু নারী দল নয় সমান তাকে খেলেছেন ফুটবলও। পাশাপাশি অ্যাথলেটিক্সেও ছিলান সমান পারদর্শী। ২০১০ সালে বাংলাদেশের এশিয়া কাপের রানার আপ হওয়া দলের হয়ে মাঠ মাতান চামেলি। কিন্তু আট বছর থেকে লিগামেন্ট ছিঁড়ে যাওয়াসহ মেরুদ-ে হাড়ের ব্যথা নিয়ে আট বছরে মূমুর্ষু অবস্থায় পৌঁছান। মেরুদ-ে দুই হাড়ের ফাঁকে থাকা নরম ডিস্ক গুলো নষ্ট হয়ে যাওয়ায় অবস হয়ে যাচ্ছিল তার পুরো ডান পাশ। বিষয়টি নিয়ে খবর প্রকাশিত হলে চিকিৎসার ভার নেন প্রধানমন্ত্রী।

‘নৌকার বিজয় না হলে
উন্নয়ন থেমে যাবে’: বাদশা
মঈন উদ্দীন, রাজশাহী : একাদশ সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-২ (সদর) আসনে ১৪ দল মনোনীত ও মহাজোট সমর্থিত প্রার্থী ফজলে হোসেন বাদশা বলেছেন, বিগত ১০ বছরে বাংলাদেশে যত উন্নয়ন হয়েছে তা আর কখনোই হয়নি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকলে দেশ এক অনন্য উচ্চতায় যাবে। তাই উন্নয়নের জন্যই এই নির্বাচনে নৌকা প্রতিকে ভোট দিতে হবে।
বুধবার দুপুরে রাজশাহী মহানগরীর ৩০ নং ওয়ার্ডে নৌকা প্রতিকের প্রচারে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন। বাদশা বলেন, দেশে এখন নিজের টাকায় পদ্মা সেতু হচ্ছে। এটি নৌকার অবদান। সারাদেশে উন্নয়নের জোয়ার বইছে। সারাদেশের সে ঙ্গ রাজশাহীও উন্নয়নের মহাসড়কে উঠে গেছে। এবার তিনি নির্বাচিত হলে আরও বেশি উন্নয়ন হবে। কারণ, এবার সিটি করপোরেশনে যোগ্য মেয়রও বসেছেন। তিনি আর মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন রাজশাহীকে এগিয়ে নেবেন।
রাজশাহী সদর আসনের টানা দুইবারের এই সংসদ সদস্য বলেন, এ অঞ্চলের অর্থনীতিতে গতি আনতে তিনি বিমানবন্দর চালু করেছেন। হাইটেকপার্ক নির্মাণসহ বড় বড় প্রকল্পের কাজ চলছে। বিএনপি ক্ষমতায় এলে এ সব উন্নয়ন থেমে যাবে। বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা আরও বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করলে উন্নয়নের টাকায় আবার জঙ্গিবাদের সৃষ্টি করবে, যেভাবে তারা বাগমারায় বাংলা ভাইয়ের সৃষ্টি করেছিল।
ফজলে হোসেন বাদশা এ দিন ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের চৌদ্দপায়া এবং এর আশপাশের এলাকায় নৌকা প্রতিকের প্রচার চালান। বিশাল একটি মিছিল নিয়ে তার সঙ্গে যোগ দেন ১৪ দলের স্থানীয় নেতাকর্মীরা। ‘নৌকা’, ‘নৌকা’ শ্লোগান তুলে তারা চারপাশ মুখর করে তোলেন।

ধানের শীষে ভোট দিলে গণতান্ত্রিক
অধিকার ফিরিয়ে আনা হবে : মিনু
মঈন উদ্দীন, রাজশাহী : বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, এই নির্বাচন বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার নির্বাচন। এই নির্বাচনে ধানের শীষের বিজয় হলে দেশের জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে আনা হবে। বুধবার সকালে নগরের নগরের ১০ ও ১১ নম্বর ওয়ার্ডে গণসংযোগকালে এ কথা বলেন মিনু। তিনি বলেন, ‘‘দেশের মানুষ এখন খোলা কারাগারে বসবাস করছে। কারো কথা বলার, পছন্দমত ভোট প্রদান এবং স্বাধীনভাবে চলাফেরার অধিকার নাই। সরকারের কোন ধরনের সমালোচনা করলেই তাকে হয়রানির স্বীকার হতে হচ্ছে। এই অবস্থা থেকে জনগণকে মুক্তি দিতে বিএনপি নির্বাচন করছে।’’
মিনু বলেন, ‘‘এই নির্বাচন বানচাল করার জন্য সরকারী দল গভীর ষড়যন্ত্র করছে। ইতোমধ্যে দেশব্যাপি বিএনপি, ২০ দলীয় জোট ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দেয়া হচ্ছে। কোথাও কোথাও নির্বানী অফিস ও গাড়ী ভাঙ্গচুর এবং ধানের শীষের পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুন ছিড়ে ফেলা হচ্ছে। সরকারী দল যতই অত্যাচার ও নির্যাতন করুক বিএনপি একতাবদ্ধ ভাবে মাঠে থেকে নির্বাচন করে যাবে।’’
সকাল থেকে নগরের ১০ ও ১১ নং ওয়ার্ডে বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেন মিজানুর রহমান মিনু। এ সময় তিনি ধানের শীষের পক্ষে ভোট চান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন, মহানগর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি নজরুল হুদা, বোয়ালিয়া থানা বিএনপির সভাপতি সাইদুর রহমান পিন্টু, মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আসলাম সরকার, বোয়ালিয়া থানা বিএনপির সাধারণ সম্পদক রবিউল আলম মিলু, মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি ও বিএনপি নেতা ওয়ালিউল হক রানা, জেলা যুবদলের সভাপতি মোজাদ্দেদ জামানী সুমন, মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি জাকির হোসেন রিমন, সাংগঠনিক সম্পাদক আনন্দ কুমার, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি আসাদুজ্জমান জনি, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রবি, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম জনি প্রমূখ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Powered by Dragonballsuper Youtube Download animeshow