সর্বশেষ সংবাদ

বিআইআইটিতে আন্তর্জাতিক পরিবার দিবস পালন

রাশেদ রোকন: আন্তর্জাতিক পরিবার দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ইসলামিক থ্যট (বিআইআইটি) ১৫ই মে ২০১৮ উত্তরাস্থ কনফারেন্স হলে ‘Family: A Primary Institute of the Ummah’  শীর্ষক একটি সেমিনারের আয়োজন করে। উক্ত সেমিনারে প্রায় ৫০টিরও বেশি পরিবার অংশগ্রহণ করে। বিআইআইটির নির্বাহী পরিচালক, ড. এম আব্দুল আজিজের সভাপতিত্বে উক্ত সেমিনারে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন বিশিষ্ট সায়েন্স জার্নালিষ্ট, লেখক, গবেষক এবং বি.আই.আই. টি’র সম্মানিত ফেলো মেম্বার জনাব মীর লুৎফুল কবির সা’দী।
প্রবন্ধের উপর মূল্যবান আলোচনা রাখেন ইসলামি ব্যাংক ট্রেনিং এবং রিসার্চ একাডেমির ফ্যাকাল্টি মিসেস মাসুমা বেগম। উক্ত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সচিব, ইসলামি গবেষক, বিশিষ্ট নারীবাদী ও বিআইআইটি ট্রাষ্ট-এর চেয়ারম্যান জনাব শাহ্ আব্দুল হান্নান।
মূল প্রবন্ধাকার জনাব মীর লুৎফুল কবির সা’দী বলেন মানুষ হলো আশরাফুল মাখলুকাত। তাই মানুষকে যে উদ্দেশ্যে আল্লাহ তায়ালা সৃষ্টি করেছেন, আল্লাহর সে উদ্দেশ্য যথাযথভাবে পালন করতে হলে মানুষকে পারিবারিক বন্ধন ধরে রাখতে হবে।
সেটা করতে হলে তাওহিদভিত্তিক পরিবার গঠন করা ছাড়া আমাদের অন্য কোনো উপায় নাই। এ প্রসঙ্গে তিনি বিশ্বখ্যাত ইসলামি চিন্তাবিদ ড. ইসমাইল রাজী আল-ফারুকীর লেখা আত-তাওহিদ বইটির কথা উল্লেখ করে বলেন- আজ এই পরিবার দিবসে আমাদের অবশ্যই ভাবতে হবে কীভাবে দু’জন মানুষের মধ্যে Ummatism-এর ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়ে উঠবে। কীভাবে দু’জন মানুষ Ummatism-এর ভিত্তিতে ভালোবাসা, হৃদত্বার সম্পর্কে আবদ্ধ হতে পারবে?  জনাব সা’দী ড. ইসমাইল রাজী আল-ফারুকীর সাথে একাত্বতা প্রকাশ করে বলেন- ১০জন ১০জন করে পরিবার নিয়ে ধীরে ধীরে আমাদেরকে Ummatism ধারণার দিকে আগাতে হবে।
ইসলামি ব্যাংক ট্রেনিং এবং রিসার্চ একাডেমির ফ্যাকাল্টি মিসেস মাসুমা বেগম বলেন, আমাদের পরিবার ফোরাম থাকা অবশ্যই দরকার। কিন্তু তিনি অত্যন্ত উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, আমাদের পরিবারগুলো আজ ভাঙ্গনের মুখে। একদল পুরুষ মনে করেন নারীরা ঘরকন্যা করবে, তাদের বহির্জগতে পদচারণার দরকার নাই আর একদল মনে করেন নারীদের ঘরের বাইরে আসা দরকার। নারীরা ঘরের মধ্যে আবদ্ধ থাকবে এটা হয় না। এভাবে পুরুষরা নারীদের প্রান্তিকভাবে দেখেন। পরিবার ভাঙ্গনের কারণ উল্লেখ করতে গিয়ে মিসেস মাসুমা বেগম বলেন, বিয়ের সময় স্বামী  স্ত্রীকে তার সমকক্ষ মনে করলেও পরিবেশ পরিস্থিতির কারণে সময়ের সাথে সাথে মেয়েদের জ্ঞানের পরিধি না বাড়ায় স্বামী-স্ত্রীর মাঝে আর লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডি থাকে না।
ফলে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে দূরুত্ব বাড়তে থাকে যার ফলশ্রুতিতে পরিবারগুলো ভাঙ্গনের মুখোমুখি হচ্ছে। আর এ ভাঙ্গন থেকে পরিবারকে রক্ষার জন্য তিনি স্বামী এবং স্ত্রী উভয়কে আল্লাহ তায়ালা কোন কনটেক্টট-এ সৃষ্টি করেছেন তা যথাযথভাবে বুঝে পারিবারিক শান্তি বজায় রাখার উপর গুরুতারোপ করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সচিব, ইসলামি গবেষক, বিশিষ্ট নারীবাদী ও বিআইআইটি ট্রাষ্ট-এর চেয়ারম্যান জনাব শাহ্ আব্দুল হান্নান বলেন, ইতিহাস পর্যালোচনা করলে আমরা দেখতে পাই যে, শুরু থেকেই পরিবার প্রথা ছিল। আর ইসলামও শক্তিশালী পরিবার গঠনের উপর জোর দিয়েছেন। যদি তা না হতো তাহলে আল্লাহ তায়ালা শুধু আদম আ. অথবা শুধু হাওয়া আ.-কে সৃষ্টি করতেন।
ইসলামে পরিবারের গুরুত্ব বুঝাতেই আল্লাহ তায়ালা তা না করে আদম (আ.) এবং হাওয়া (আ.) দু’জনকেই সৃষ্টি করেছেন। পাশ্চাত্যবাদীদের কেউ কেউ পরিবারের বিরুদ্ধে জোরালো বক্তব্য দিলেও পাশ্চাত্যবাসী আজ হতাশ তাদের সমাজের বর্তমান অবস্থা দেখে। পরিবার ব্যবস্থা প্রায় ধ্বংশ হয়ে যাওয়ার ফলে দেখা যায়, ফ্রান্সে প্রায় ৫ মিলিয়ন মানুষ কুকুরের সাথে বসবাস করছে, মানুষ হয়েও তারা অন্য একজন মানুষকে বিশ্বস্ত¡ মনে করতে পারছে না। জনাব হান্নান বলেন, পরিবারের গুরুত্ব উপলব্ধি করেই জাতিসংঘ ১৫ মে আন্তর্জাতিক পরিবার দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। নির্বিশেষে সবাইকে এমন দিবস পালনের আহবান জানান যাতে পরিবার প্রথাকে আমরা আরো শক্তিশালী করতে পারি।
সভাপতির বক্তব্যে বিআইআইটির নির্বাহী পরিচালক, ড. এম আব্দুল আজিজ বলেন, জাতিসংঘ এ বছর আন্তর্জাতিক পরিবার দিবসের যে প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছেন (Families and Inclusive Societies)  তা অত্যন্ত সময়পোযোগী। কারণ সমগ্র বিশ্বে গুরুত্বপ‚র্ণ সামাজিক ভিত্তি হিসেবে পরিবারের ভ‚মিকা আজো অপরিসীম।
শিল্প বিপ্লবের পর থেকে পশ্চিমা বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে পরিবারের প্রতি অনাগ্রহ সৃষ্টির প্রক্রিয়া শুরু হলেও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহমর্মিতা ও দৃঢ় বন্ধনের কারণে পরিবার এখনো প্রতিটি মানুষের কাছে  সর্বপ্রথম বিদ্যাপীঠ এবং সর্বশ্রেষ্ঠ আশ্রয়স্থল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ড. আজিজ আরো বলেন, পাশ্চাত্য সংস্কৃতি অনুসরণ করে যারা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে পারিবারিক বন্ধন অস্বীকার করে নিকটজনকে দুরে ঠেলে দিচ্ছে, তারা পরোক্ষভাবে আমাদের চিরাচরিত সমাজ-ব্যবস্থাকেই অস্বীকার করছে। আমাদের জাতিগত যে একটা বৈশিষ্ট্য আছে, আছে নিজস্ব কৃষ্টি-সংস্কৃতি তাকেই অস্বীকার করছে। আমাদের বুঝতে হবে, অন্যের কাছ থেকে ধার করা কোন কিছুতেই গৌরব নেই। বরং তা আমাদের জন্য অপমান। এ প্রসংগে তিনি আরো বলেন, আমাদের মধ্যে Inclusive Family’ও ধারণা বাড়াতে হবে এবং পরিবারকে সদস্যদের মধ্যে শেয়ারিং প্লাটফর্ম হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
এ প্রসংগে Family Management Course    প্রবর্তন করা ও এ সম্পর্কিত Institute প্রতিষ্ঠা করার উপর গুরুত্বারোপ করে। তিনি রক্তের সম্পর্ক অক্ষুন্ন রাখার ওপর তাগিদ দেন এবং পরিবারের প্রতিটি সদস্যের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য অক্ষুন্ন রেখে, প্রতিটি পরিবারে অনাবিল সুখ-শান্তি  বিরাজ করুক এ কামনা করেন।ষেদরােআন্তর্জাতিক পরিবার দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ইসলামিক থ্যট (বিআইআইটি) ১৫ই মে ২০১৮ উত্তরাস্থ কনফারেন্স হলে ‘Family: A Primary Institute of the Ummah’  শীর্ষক একটি সেমিনারের আয়োজন করে।
উক্ত সেমিনারে প্রায় ৫০টিরও বেশি পরিবার অংশগ্রহণ করে। বিআইআইটির নির্বাহী পরিচালক, ড. এম আব্দুল আজিজের সভাপতিত্বে উক্ত সেমিনারে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন বিশিষ্ট সায়েন্স জার্নালিষ্ট, লেখক, গবেষক এবং বি.আই.আই. টি’র সম্মানিত ফেলো মেম্বার জনাব মীর লুৎফুল কবির সা’দী। প্রবন্ধের উপর মূল্যবান আলোচনা রাখেন ইসলামি ব্যাংক ট্রেনিং এবং রিসার্চ একাডেমির ফ্যাকাল্টি মিসেস মাসুমা বেগম। উক্ত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সচিব, ইসলামি গবেষক, বিশিষ্ট নারীবাদী ও বিআইআইটি ট্রাষ্ট-এর চেয়ারম্যান জনাব শাহ্ আব্দুল হান্নান।
মূল প্রবন্ধাকার জনাব মীর লুৎফুল কবির সা’দী বলেন মানুষ হলো আশরাফুল মাখলুকাত। তাই মানুষকে যে উদ্দেশ্যে আল্লাহ তায়ালা সৃষ্টি করেছেন, আল্লাহর সে উদ্দেশ্য যথাযথভাবে পালন করতে হলে মানুষকে পারিবারিক বন্ধন ধরে রাখতে হবে। সেটা করতে হলে তাওহিদভিত্তিক পরিবার গঠন করা ছাড়া আমাদের অন্য কোনো উপায় নাই। এ প্রসঙ্গে তিনি বিশ্বখ্যাত ইসলামি চিন্তাবিদ ড. ইসমাইল রাজী আল-ফারুকীর লেখা আত-তাওহিদ বইটির কথা উল্লেখ করে বলেন- আজ এই পরিবার দিবসে আমাদের অবশ্যই ভাবতে হবে কীভাবে দু’জন মানুষের মধ্যে Ummatism-এর ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়ে উঠবে। কীভাবে দু’জন মানুষ Ummatism-এর ভিত্তিতে ভালোবাসা, হৃদত্বার সম্পর্কে আবদ্ধ হতে পারবে?  জনাব সা’দী ড. ইসমাইল রাজী আল-ফারুকীর সাথে একাত্বতা প্রকাশ করে বলেন- ১০জন ১০জন করে পরিবার নিয়ে ধীরে ধীরে আমাদেরকে Ummatism ধারণার দিকে আগাতে হবে।
ইসলামি ব্যাংক ট্রেনিং এবং রিসার্চ একাডেমির ফ্যাকাল্টি মিসেস মাসুমা বেগম বলেন, আমাদের পরিবার ফোরাম থাকা অবশ্যই দরকার। কিন্তু তিনি অত্যন্ত উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, আমাদের পরিবারগুলো আজ ভাঙ্গনের মুখে। একদল পুরুষ মনে করেন নারীরা ঘরকন্যা করবে, তাদের বহির্জগতে পদচারণার দরকার নাই আর একদল মনে করেন নারীদের ঘরের বাইরে আসা দরকার।
নারীরা ঘরের মধ্যে আবদ্ধ থাকবে এটা হয় না। এভাবে পুরুষরা নারীদের প্রান্তিকভাবে দেখেন। পরিবার ভাঙ্গনের কারণ উল্লেখ করতে গিয়ে মিসেস মাসুমা বেগম বলেন, বিয়ের সময় স্বামী  স্ত্রীকে তার সমকক্ষ মনে করলেও পরিবেশ পরিস্থিতির কারণে সময়ের সাথে সাথে মেয়েদের জ্ঞানের পরিধি না বাড়ায় স্বামী-স্ত্রীর মাঝে আর লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডি থাকে না। ফলে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে দূরুত্ব বাড়তে থাকে যার ফলশ্রুতিতে পরিবারগুলো ভাঙ্গনের মুখোমুখি হচ্ছে। আর এ ভাঙ্গন থেকে পরিবারকে রক্ষার জন্য তিনি স্বামী এবং স্ত্রী উভয়কে আল্লাহ তায়ালা কোন কনটেক্টট-এ সৃষ্টি করেছেন তা যথাযথভাবে বুঝে পারিবারিক শান্তি বজায় রাখার উপর গুরুতারোপ করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সচিব, ইসলামি গবেষক, বিশিষ্ট নারীবাদী ও বিআইআইটি ট্রাষ্ট-এর চেয়ারম্যান জনাব শাহ্ আব্দুল হান্নান বলেন, ইতিহাস পর্যালোচনা করলে আমরা দেখতে পাই যে, শুরু থেকেই পরিবার প্রথা ছিল। আর ইসলামও শক্তিশালী পরিবার গঠনের উপর জোর দিয়েছেন।
যদি তা না হতো তাহলে আল্লাহ তায়ালা শুধু আদম আ. অথবা শুধু হাওয়া আ.-কে সৃষ্টি করতেন। ইসলামে পরিবারের গুরুত্ব বুঝাতেই আল্লাহ তায়ালা তা না করে আদম (আ.) এবং হাওয়া (আ.) দু’জনকেই সৃষ্টি করেছেন। পাশ্চাত্যবাদীদের কেউ কেউ পরিবারের বিরুদ্ধে জোরালো বক্তব্য দিলেও পাশ্চাত্যবাসী আজ হতাশ তাদের সমাজের বর্তমান অবস্থা দেখে। পরিবার ব্যবস্থা প্রায় ধ্বংশ হয়ে যাওয়ার ফলে দেখা যায়, ফ্রান্সে প্রায় ৫ মিলিয়ন মানুষ কুকুরের সাথে বসবাস করছে, মানুষ হয়েও তারা অন্য একজন মানুষকে বিশ্বস্ত¡ মনে করতে পারছে না। জনাব হান্নান বলেন, পরিবারের গুরুত্ব উপলব্ধি করেই জাতিসংঘ ১৫ মে আন্তর্জাতিক পরিবার দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। নির্বিশেষে সবাইকে এমন দিবস পালনের আহবান জানান যাতে পরিবার প্রথাকে আমরা আরো শক্তিশালী করতে পারি।
সভাপতির বক্তব্যে বিআইআইটির নির্বাহী পরিচালক, ড. এম আব্দুল আজিজ বলেন, জাতিসংঘ এ বছর আন্তর্জাতিক পরিবার দিবসের যে প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছেন (Families and Inclusive Societies)  তা অত্যন্ত সময়পোযোগী। কারণ সমগ্র বিশ্বে গুরুত্বপ‚র্ণ সামাজিক ভিত্তি হিসেবে পরিবারের ভ‚মিকা আজো অপরিসীম। শিল্প বিপ্লবের পর থেকে পশ্চিমা বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে পরিবারের প্রতি অনাগ্রহ সৃষ্টির প্রক্রিয়া শুরু হলেও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহমর্মিতা ও দৃঢ় বন্ধনের কারণে পরিবার এখনো প্রতিটি মানুষের কাছে  সর্বপ্রথম বিদ্যাপীঠ এবং সর্বশ্রেষ্ঠ আশ্রয়স্থল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ড. আজিজ আরো বলেন, পাশ্চাত্য সংস্কৃতি অনুসরণ করে যারা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে পারিবারিক বন্ধন অস্বীকার করে নিকটজনকে দুরে ঠেলে দিচ্ছে, তারা পরোক্ষভাবে আমাদের চিরাচরিত সমাজ-ব্যবস্থাকেই অস্বীকার করছে। আমাদের জাতিগত যে একটা বৈশিষ্ট্য আছে, আছে নিজস্ব কৃষ্টি-সংস্কৃতি তাকেই অস্বীকার করছে। আমাদের বুঝতে হবে, অন্যের কাছ থেকে ধার করা কোন কিছুতেই গৌরব নেই। বরং তা আমাদের জন্য অপমান। এ প্রসংগে তিনি আরো বলেন, আমাদের মধ্যে Inclusive Family’ও ধারণা বাড়াতে হবে এবং পরিবারকে সদস্যদের মধ্যে শেয়ারিং প্লাটফর্ম হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এ প্রসংগে Family Management Course প্রবর্তন করা ও এ সম্পর্কিত Institute প্রতিষ্ঠা করার উপর গুরুত্বারোপ করে। তিনি রক্তের সম্পর্ক অক্ষুন্ন রাখার ওপর তাগিদ দেন এবং পরিবারের প্রতিটি সদস্যের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য অক্ষুন্ন রেখে, প্রতিটি পরিবারে অনাবিল সুখ-শান্তি  বিরাজ করুক এ কামনা করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Powered by Dragonballsuper Youtube Download animeshow