সর্বশেষ সংবাদ

গাইবান্ধার ৫টি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ফলাফল

 

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে গাইবান্ধা সদরে স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহ সোরোয়ার কবীর (ঘোড়া) ৩৯ হাজার ৫শ ৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট তম প্রতিদ্বন্দি আওয়ামী লীগের মনোনিত প্রার্থী মো: পিয়ারুল ইসলাম (নৌকা) ২৯ হাজার ৫শ ৬ ভোট পেয়েছেন। ভাইস চেয়ারম্যান পদে মো: নুর এ হাবীব (তালা) ২৬ হাজার ৯ শ ১৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি রনজিৎ বক্সী সূর্য্য (উড়োজাহাজ) ২১ হাজার ২শ ৭ ভোট পেয়েছেন। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোছা: তাসলিমা সুলতানা স্মৃতি (ফুটবল) ২৮ হাজার ৩ শ ৬২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি মোছা: আরিফা আক্তার (কলস) ১৭ হাজার ৯ শ ৮৩ ভোট পেয়েছেন।
সাঘাটা উপজেলা স্বতন্ত্র প্রার্থী মো: জাহাঙ্গীর আলম (ঘোড়া) ৪৫ হাজার ৯শ ৩৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থী এস.এম সামশীল আরেফিন (নৌকা) ৪০ হাজার ৭শ ৯৯ ভোট পেয়েছেন। ভাইস চেয়ারম্যান পদে মো: সহিদুল ইসলাম বিল্পব (তালা) ২৫ হাজার ৮ শ ৮৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি মো: জাহাঙ্গীর আলম (উড়োজাহাজ) ১৪ হাজার ১শ ৩৯ ভোট পেয়েছেন। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোছা: পারভীন আক্তার (বৈদ্যুতিক পাখা) ২৯ হাজার ৮ শ ২২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি মোছা: রওশন আরা বেগম (প্রজাপতি) ১৬ হাজার ৭ শ ৯৪ ভোট পেয়েছেন।
সাদুল্যাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের মনোনিত প্রার্থী মো: সাহারিয়ার খাঁন বিল্পব (নৌকা) ৩২ হাজার ৭শ ৭৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি আবু সাআদাত শাহ্ মো: ফজলুল হক ৩০ হাজার ৫শ ৬০ ভোট পেয়েছেন। ভাইস চেয়ারম্যান পদে এ.টি.এম দিদারুল ইসলাম (চশমা) ৩৮ হাজার ৫ শ ৫৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি মো: মোন্তেজার রহমান (তালা) ১৯ হাজার ৬শ ৫০ ভোট পেয়েছেন। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোছা: ইসরাত জাহান স্মৃতি (কলস) ৫৮ হাজার ১ শ ৮০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি মোছা: রেহেনা বেগম (হাঁস) ২৪ হাজার ৬ শ ৭৯ ভোট পেয়েছেন।
ফুলছড়ি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থী জি এম সেলিম পারভেজ (নৌকা) ৩৪ হাজার ৮শ ৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি মো: আবু সাঈদ (মোটর সাইকেল) ১৩ হাজার ৯শ ৮৯ ভোট পেয়েছেন। ভাইস চেয়ারম্যান পদে মো: হুকুম আলী (চশমা) ১৪ হাজার ২ শ ৮৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি মো: জাহাঙ্গীর আলম (মাইক) ১৪ হাজার ২শ ১৬ ভোট পেয়েছেন। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোছা: আঞ্জুমনোয়ারা বেগম (কলস) ১৭ হাজার ৯০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি মোছা: শাখিয়া পারভিন (প্রজাপতি) ১৬ হাজার ৯ শ ৩২ ভোট পেয়েছেন।
পলাশবাড়ি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনিত প্রার্থী এ কে এম মোকছেদ চৌধুরী বিদ্যুৎ (নৌকা) ৫৬হাজার ৯শ ৪৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছে। তার নিকট তম প্রতিদ্বন্দি প্রার্থী মমতাজ উদ্দিন (জাপা) ১০ হাজার ৩শ ৮০ ভোট পেয়েছে। ১৪ হাজার ১শ ১৩ ভোট পেয়ে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন এ এস এম রফিকুল ইসলাম মন্ডল (টিউবওয়েল) তার নিকট তম প্রতিদ্বন্দি আবু রেজা মো: ফিরোজ কালাম চৌধুরী (চশমা) তিনি ভোট পেয়েছেন ১২ হাজার ৮শ। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে আনোয়ারা বেগম (কলস) ২১ হাজার ৭শ ২৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকট তম প্রতিদ্বন্দি মোছা: রিক্তা বেগম (ফুটবল) তিনি ১৬ হাজার ৫শ ২৯ ভোট পেয়েছেন। জেলা রিটানিং অফিসার তার অফিসে বে-সরকারি ভাবে নির্বাচনের তাদের নির্বাচনের ফলাফল ঘোষনা করেন।

উপজেলা নির্বাচন
গাইবান্ধায় যাদের জামানত বাজেয়াপ্ত
গাইবান্ধা প্রতিনিধি
পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে সোমবার অনুষ্ঠিত ভোটে মোট প্রদত্ত ভোটের আটভাগের একভাগের কম ভোট পাওয়ায় গাইবান্ধার পাঁচ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আটজন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২০ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১১ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
জেলা সার্ভার স্টেশন সুত্রে জানা গেছে, এবার চেয়ারম্যান পদে ২০ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩৬ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন ২৬ জন। নির্বাচন কমিশনের নিয়মানুযায়ী মোট প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগের কম ভোট পেলে তার জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত হয়। সে অনুযায়ী সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) শফিকুল ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান পদে এ টি এম শামছুল হুদা ও সেলিম মিয়া স্বপন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে রওশন আরা মুক্তি, মোর্শেদা বেগম ও রশিদা বেগম, সাদুল্লাপুর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী আকতার বানু লাকি ও মতিয়ার রহমান সরকার (আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী) এবং ভাইস চেয়ারম্যান পদে এনামুল হক মন্ডল, আল মামুন আজমী, আহসান হাবীব নাহিদ, কামরুল ইসলাম , পলাশবাড়ীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বজলার রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান পদে শেখ শামসুজ্জোহা আহম্মেদ, আবুল কালাম আজাদ, মমিরুল ইসলাম, হযরত আলী দুলাল, কে এম আনিছুর রহমান ও আশরাফুল ইসলাম এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে কোহিনুর আক্তার বানু ও শ্যামলী বেগম, ফুলছড়িতে চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিবুর রহমান (আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী) ও সৈয়দ মো. বেলাল হোসেন ইউসুফ, ভাইস চেয়ারম্যান পদে শহীদুল ইসলাম ও আবুল কালাম আজাদ এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে সাবিনা ইয়াসমিন সম্পা, সাঘাটায় চেয়ারম্যান পদে জাতীয় পার্টির এ কে এম মমিতুল হক সরকার ও বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির মাছুদুর রহমান প্রধান, ভাইস চেয়ারম্যান পদে জাকির হোসেন, রনজিৎ রায়, লিয়াকত আলী খন্দকার, এ টি এম সাখাওয়াৎ হোসেন রুবেল, শাহ আলম ও আব্দুল খালেক ভোলা এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নাজনীন বেগম, সাহানাজ খাতুন, তাজমিন বেগম, লতিফা বেগম ও জড়ি বেগম।
এ বিষয়ে জেলা নির্বাচন অফিসার মাহবুবুর রহমান বলেন, নির্বাচনের আগে প্রত্যেক প্রার্থীর জামানত হিসেবে জমা থাকে ১০ হাজার টাকা করে। মোট প্রদত্ত ভোটের এক অষ্টমাংশের নিচে এক ভোট কম পেলেই তার জামানতের টাকা নিয়মানুযায়ীই বাজেয়াপ্ত হয়।

গাইবান্ধা বিয়াম স্কুলের সহকারী শিক্ষক সারমিন জাহানের বিরুদ্ধে অভিভাবকের অভিযোগ! খতিয়ে দেখবেন জেলা প্রশাসক
গাইবান্ধা প্রতিবেদক:
গাইবান্ধা সদর উপজেলায় বিয়াম ল্যাবরেটরী স্কুলের কেজি ওয়ান ক্লাসের এক ছাত্রীর অভিভাবককে হুমকি এবং তাকে সিটি খাতা দেয়া হবেনা বলে এ্যাসেম্বিলিতে না যেতে দেয়ার ঘটনায় স্কুলের সহকারী শিক্ষক সারমিন জাহানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার ভুক্তভোগী অভিভাবক সাংবাদিক জাভেদ হোসেন গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের বরাবর এ অভিযেগ করেন।
জাভেদ হোসেন অভিযেগে উল্লেখ করেন, তিনি সকাল ৮টায় তার কেজি ক্লাসের মেয়েকে নিয়ে স্কুলে যান এবং সিটি পরিক্ষার জন্য সিটিখাতা কিনতে স্কুলের ভিতর প্রবেশ করেন। সেখানে তিনি সিটি খাতা চাইলে স্কুলের পিয়ন তাকে বাহিরের জানালায় কাউন্টারে যেতে বলে। তিনি কাউন্টাওে গিয়ে অপেক্ষার সময় ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের গোলোযোগ দেখে সেখানে দায়িত্বে থাকা সহকারী শিক্ষক সারমিন জাহানকে সুশৃঙ্খল নিয়য়ে সিটি খাতা প্রদান করার অনুরোধ জানান। এ কথায় তিনি উত্তেজিত হয়ে স্কুলের আয়া, ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবক এবং তার মেয়ের সামনে তাকে অপমানজনক কথা বার্তা বলেন এবং তার কেজি ওয়ান শ্রেনীর মেয়েকে সিটি খাতা দিবেনা বলে হুমকি প্রদান করেন। এক পর্যায় সেখানকার আরও একজন সহকারী শিক্ষক ও ক্যাশিয়ার জান্নাতুল ফেরদৈাস জান্নাতকে অভিভাবক জাভেদ বিষয়টি জানালে তিনি তাকে অফিস কক্ষে বসিয়ে রেখে দীর্ঘক্ষণ পর সিটি খাতা নিয়ে আসেন ততক্ষণে স্কুলের এ্যাসেম্বিলি শেষ হয়ে সকল ছাত্র-ছাত্রী ক্লাসে প্রবেশ করে এবং ক্লাস শুরু হয়ে যায়।
সাংবাদিক জাভেদ হোসেন বিষয়টি তদন্ত করে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে শাস্তিমুলক ব্যাবস্থার দাবি জানান ।
এব্যাপারে কাউন্টারে অবস্থানরত বিয়াম ল্যাবরেটরী স্কুলের আয়া জাহানারার কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, জাভেদ ভাই স্কুলে খুব ভদ্রভাবে এসে বাচ্চাকে রেখে যান আবার ছুঁটি হলে এসে নিয়ে যান আমি তাকে স্কুলের শুরু থেকে দেখে আসছি তার বড় মেয়েও এখানে পড়তো। আজকে তার সাথে সারমিন ম্যাডাম যে বাজে ব্যাবহার করেছে দেখে আমারই খারাপ লেগেছে।
বিয়াম ল্যাবরেটরী স্কুলের সহকারী শিক্ষক ও ক্যাশিয়ার জান্নাতুল ফেরদৈাস জান্নাত বলেন, কেজি ওয়ান শ্রেনীর ছাত্রীর অভিভাবকের সাথে উদ্ধতপূর্ন আচরনের বিষয়টি আমি জানি। জাভেদ ভাই সকালে আমাকে অফিসে এসে বলার সাথে সাথে আমি তাকে অফিসে বসিয়ে রেখে তার মেয়ের জন্য সিটি খাতা আনতে যাই এবং সারমিন জাহান যে তাকে লাঞ্চিত করেছে এটা তার কথায় আমি বুঝতে পাই যা কোনভাবেই সে ঠিক করেননি।
অভিযুক্ত শিক্ষক সারমিন জাহানের নিকট মুঠোফোনে এব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি তা অস্বিকার করে বলেন, আমি তার সাথে কোন খারাপ আচারন করিনি।
বিয়াম ল্যাবরেটরী স্কুলের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সোমা সেন বলেন, আমি বিষয়টি শুনেছি একন দেখি জেলা প্রসাশক স্যার আমাকে কি নির্দেশ দেন। তার নির্দেশ অনুযায়ী ব্যাবস্থা নেয়া হবে।
গাইবান্ধা জেলা প্রসাশক আবদুল মতিন অভিযোগের সত্যতা স্বিকার করে বলেন, আমি সরকারী কাজে রংপুর অবস্থান করছি বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যাবস্থা নেয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Powered by Dragonballsuper Youtube Download animeshow